Showing posts with label খুঁটি. Show all posts
Showing posts with label খুঁটি. Show all posts

কালেমা, ইসলাম এর প্রথম রুকুন বা খুঁটি

on Saturday, July 14, 2012

ইসলাম অর্থ শান্তি। ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা সব সময় শান্তির কথা বলে। যারা ইসলাম ধর্মের অনুসারী তাদের বলা হয় মুসলিম। ইসলাম ধর্মটি মূলত পাঁচটি রুকন বা খুঁটির উপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলাম ধর্মের প্রথম খুঁটি বা রুকুন হচ্ছে কালেমা বা ঈমান। ঈমান অর্থ বিশ্বাস। আর কালেমা একজন মুসলিম বা ইসলাম অনুসারীর বিশ্বাস কেই প্রতিষ্ঠিত করে। ইসলাম ধর্মের বা মুসলিমদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হচ্ছে কুরআন। পবিত্র কুরআন পাক এ এই পাঁচটি রুকুন বা খুঁটির কথা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পাঁচটি খুঁটি হচ্ছে (১) কালেমা , (২) সালাত(নামজ) , (৩) যাকাত, (৪) রোজা (সাওম), (৫) হাজ্জ । বিশেষত কালেমার কথা। একজন মুসলিম এর সর্বপ্রথম দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে এই কালেমার উপরে বিশ্বাস স্থাপন। শুধু তাই নয় অন্তরে বিশ্বাস স্থাপনের পাশাপাশি এই কালেমা মুখে ও বলতে হয়।

ইসলাম এ মূলতঃ পাঁচটি কালেমা আছে। এগুলো হল কালেমা তাইয়্যবা, কালেমা শাহাদাত, কালেমা তাওহিদ, কালেমা তামজিদ এবং কালেমা রাদ্দে কুফর। তন্মদ্ধ্যে কালেমা ‘তাইয়্যবা’ প্রধান। এছাড়াও কালেমা শাহাদাত, কালেমা তাওহিদ, কালেমা তামজিদ এই তিনটি কালেমার গুরুত্ব ও অপরিসীম। কালেমা তাইয়্যবা হচ্ছে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা.)।” যার বাংলা অর্থ হচ্ছে “আল্লাহ্‌ ব্যাতীত কোন ইলাহ(উপাস্য) নেই, তিনি এক ও অদ্বিতীয় এবং হযরত মোহাম্মাদ (সা.) তার প্রেরিত রাসুল।”

কালেমার প্রথম অংশটিতে আল্লাহ্‌র একেশ্বর বাদ বর্ণনা করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে যে আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন উপাস্য নাই তিনি এক ও অদ্বিতীয়। এই বিশ্বাসই ইসলাম এর মূল ভিত্তি। দ্বিতীয় অংশটিতে বলা হয়েছে যে হযরত মুহাম্মাদ (সা.) আল্লাহ্‌র প্রেরিত রাসুল। এই একটি বাক্যের মধ্যে ইসলাম এর সকল কথা বর্ণনা করা হয়েছে। এই বাক্যটিই ইসলাম এর মূলমন্ত্র। একজন মুসলিম ব্যক্তিকে সর্বপ্রথম এই বাক্যটিতে বিশ্বাস স্থাপন করতে হয় ও এটি উচ্চারন করতে হয়। ইসলাম এ বহু ঈশ্বর বাদের কোন স্থান নেই। ইসলাম সবসময় এক ঈশ্বর বাদে বিশ্বাস করে। কালেমা তাইয়াবা এই

কারণেই ইসলাম এর মূলমন্ত্র বলে বিবেচিত হয়। এই কালেমা উচ্চারনের মাধ্যমে একজন মুসলিম তার একমাত্র উপাস্য আল্লাহ্‌ তাআলা এর একেশ্বর বাদে বিশ্বাস স্থাপন করে ও আল্লাহ্‌র সকল নির্দেশ মেনে চলার জন্য ওয়াদা করে।

এছাড়াও কালেমা শাহাদাত, কালেমা তাওহিদ, কালেমা তামজিদ এই কালেমা গুলো এই একই কথা বর্ণনা করে।

এই কালেমা গুলো আরও প্রতিষ্ঠা করে যে আল্লাহ্‌র কোন প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। এই কালেমা গুলোর মাধ্যমে এটিই প্রতীয়মান হয় যে যদি আল্লাহ্‌র কোন সমকক্ষ থাকত বা কোন প্রতিদ্বন্দ্বী থাকত তবে অনেক আগেই তাদের মধ্যে কোন না কোন সংঘর্ষ হত অথবা কোন না কোন উপায়ে একাধিক ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমান হয়ে যেত। কিন্তু আজও তা হয়নি।

পবিত্র কুরআন পাকে সূরা ইখলাস নামক অপর একটি সূরায় আল্লাহ্‌ তাআলা ঘোষণা করেছেন যে “তিনি কাহারও থেকে জন্ম গ্রহন করেননি ও কাউকে জন্ম দেননি।”

সবগুলো কালেমারই মূলমন্ত্র হচ্ছে আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন দ্বিতীয় ঈশ্বরের অস্তিত্ব নাই এবং হযরত মুহাম্মাদ (সা.) আল্লাহ্‌র প্রেরিত সর্বশেষ রাসুল।

শেষ কালেমা কালেমায়ে রাদ্দে কুফর এর মাধ্যমে একজন মুসলিম আল্লাহ্‌র নিকট তার সকল গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং এই সাক্ষ্য প্রদান করে যে আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন মাবুদ(উপাস্য) নেই। এর সাথে সাথে এই কালেমা উচ্চারণের মাধ্যমে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা হয় এই জন্য যে আল্লাহ্‌ যেন একজন মুসলিম কে ইমানের পথে রাখেন এবং সকল প্রকার গুনাহের কাজ থেকে দূরে রাখেন

পরিশেষে এটাই প্রতীয়মান হয় যে একজন মুসলিম এর কাছে ইসলাম এর মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে এই কালেমা গুলো।

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

View the Original article

হাজ্জ, ইসলামের পঞ্চম খুঁটি (Hajj)

on Thursday, July 12, 2012

যে পাঁচটি রুকুন বা খুঁটির উপর ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হাজ্জ তার মধ্যে সর্বশেষ রুকুন বা খুঁটি। হাজ্জ আরবি শব্দ এর বাংলা অর্থ সংকল্প বা ইচ্ছা করা। নির্দিষ্ট দিন সমূহে(জিলহাজ মাসের এক থেকে দশ তারিখ পর্যন্ত) নির্ধারিত কয়েকটি স্থান ও পবিত্র কা’বা শরীফে আল্লাহ্‌ ও রাসুল নির্দেশিত উপায়ে কিছু নির্দিষ্ট অনুষ্ঠান পালন কে ইসলামি পরিভাষায় হাজ্জ বলা হয়।

সমস্ত ধনী মুসলিম যারা পবিত্র মক্কায় যাওয়ার আর্থিক ও দৈহিক সংগতি রাখেন তাদের জন্য হাজ্জ ফরয করা হয়েছে। দরিদ্রদের জন্য হাজ্জ ফরয নয়। সমস্ত জীবন এ মাত্র একবারই হাজ্জ পালন করা ফরয করা হয়েছে। কুরআনুল কারীম এ পবিত্র হাজ্জ সম্পর্কে একটি পূর্ণ সুরাই নাজিল করা হয়েছে। এছাড়াও কুরআনের অন্যান্য জায়গায় হাজ্জ সম্পর্কিত অনেক আয়াত নাযিল হয়েছে। আল্লাহ্‌ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন – “ আল্লাহ্‌র উদ্দেশ্যে বায়তুল্লাহ শরীফে হাজ্জ পালন করা মানুষের ওপর অবশ্য কর্তব্য; মানুষের মধ্যে যাদের সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে।” (সূরা আল-ইমরান, আয়াত নং – ৯৭)

হাজ্জের ফরজ তিনটিঃ

১. ইহরাম বাঁধা।

২. কা’বা ঘর তাওয়াফ করা। এবং

৩. আরাফাত ময়দানে অবস্থান করা।

উপরোক্ত যে কোন একটি কাজ বাদ পরলে হাজ্জ হয় না।

ইহরাম বাঁধা মানে হল সেলাইবিহীন কাপড় পরিধান করা। এর তাৎপর্য হচ্ছে যত কাপড় চোপড়ই থাকুক না কেন হাজ্জের উদ্দেশ্যে আজ হাজ্জকারী ফকিরের বেশে আল্লাহ্‌র সম্মুখে হাজির হয়েছে। ইহরাম বাঁধা অবস্থায় রঙিন কাপর পরা যায় না, সুগন্ধি ব্যবহার করা যায় না এবং চুল কাঁটা যায় না।

মক্কায় পৌঁছানোর পরপরই কা’বা শরীফ তাওআফ করতে যেতে হয়। তাওআফ শেষ করে মাকামে ইবরাহীম নামক স্থানে দুই রাকাত সালাত আদায় করতে হয়। এরপর সেখান থেকে বের হয়ে ‘সাফা’ ও ‘মারওয়া’ নামক পাহাড়দ্বয়ের মাঝখানে দৌড়াতে হয়।

হাজ্জ এর সময় যে দুয়াটি বার বার পড়তে হয় তা হল “ লাব্বায়েক আল্লাহুমা লাব্বায়েক।”

এর অর্থ “হাজির হে আল্লাহ্‌! আমরা তোমার দরবারে হাজির।”

হাজ্জের অনেক প্রকার আত্যাধিক ও সামাজিক শিক্ষা রয়েছে। হাদিস শরীফ এ বর্ণিত আছে, মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এরশাদ করেছেন যে – “যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য হাজ্জ পালন করল এবং কোন প্রকার অন্যায় ও গুনাহের কাজ করল না, সে বাড়ি প্রত্যাবর্তন কালে এমন নিস্পাপ হয়ে ফিরল, যেন অদ্য মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়েছে।”

তিনি আরও এরশাদ করেছেন যে – “ পানি যেমন ময়লা আবর্জনা ধুয়ে পরিষ্কার করে দেয়, হাজ্জ ও তেমনি মানুষের মনের ময়লা আবর্জনা ধুয়ে পরিষ্কার করে দেয়।”

কোন মুসলমান যার উপর হাজ্জ নিয়ম অনুযায়ী ফরয হয়েছে সে যদি তা অস্বীকার করে তবে সে কাফির হয়ে যায়। হাজ্জ পালনকারী ব্যক্তি আল্লাহ্‌র খুবই প্রিয় বান্দা। আল্লাহ্‌ তার সকল গুনাহ মাফ করে দেন।

হাজ্জ মুসলমানদের জন্য এক বিশ্ব সম্মেলন।  হাজ্জ এর মাধ্যমে বিশ্বের সকল দেশের মুসলমানরা একত্রিত হওয়ার সুযোগ পায়। বিভিন্ন দেশের ভিন্ন ভিন্ন ভাষার মুসলমান গণ এই সম্মেলনে একত্রে মিলিত হন। তাদের পরস্পরকে ভালভাবে চেনা ও জানার সুযোগ হয়। এতে বিশ্ব মুসলিম ভ্রাতৃত্ব বোধ বৃদ্ধি পায়।

এছাড়াও হাজ্জ এর মাধ্যমে মুসলমান ধনী  ব্যক্তিদের মন থেকে কৃপণতা, অপচয় প্রবনতা দূর হয়। মিতব্যয়ী ও দানশীল হওয়ার দরুন দারিদ্র কমে যায় ফলশ্রুতিতে অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় থাকে।

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

View the Original article

যাকাত, ইসলাম এর তৃতীয় খুঁটি বা রুকুন (zakat)

on Tuesday, July 10, 2012

ইসলামের পাঁচটি খুঁটির মাঝে তৃতীয়টি হচ্ছে যাকাত। যাকাত আরবি শব্দ। আভিধানিক ভাবে এর অর্থ হল পবিত্রতা, পরিশুদ্ধতা বা পরিচ্ছন্নতা। একজন মুসলিম এর ধন সম্পদের নির্দিষ্ট অংশ এক বছর পূর্তিতে নির্দিষ্ট খাত সমুহে দান করাকে ইসলামের পরিভাষায় যাকাত বলা হয়। ইসলামী নিয়মে যাকাতের পরিমাণ কে যাকাতের নেসাব বলা হয়। যাকাতের নেসাব হল সাড়ে সাত তোলা সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা অথবা এর সমপরিমাণ মূল্যের অন্যান্য সম্পদ। যদি কোন মুসলিমের পরিবার এর সকল খরচ বহনের পর এক বছর পর্যন্ত এই নেসাব পরিমান সম্পদ জমা থাকে তবে তার জন্য যাকাত ফরয বা অবশ্য পালনীয় কর্তব্য। নেসাব পরিমাণ সম্পদের চল্লিশ ভাগের একভাগ যাকাত দিতে হয়। এ হিসাবে মোট সম্পদের ২.৫% হারে যাকাত এর পরিমাণ নির্ধারিত হয়।

যাকাত প্রদানের নির্দিষ্ট কিছু নিয়মের মাঝে অপর একটি অন্যতম নিয়ম হল যাকাতের মাসারাফ। মাসারাফ অর্থ যাদের যাকাত প্রদান করা যায়। যাকাতের মাসারাফ আটটি। যথাঃ (১) অভাবগ্রস্ত, (২) সম্বলহীন, (৩) ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হতে পারে এমন ব্যক্তি, (৪) মুক্তিকামি দাস, (৫) ঋণগ্রস্ত, (৬) অসহায় বা প্রবাসী পথিক, (৭) আল্লাহ্‌র পথে অর্থাৎ ইসলাম এর খিদমতে নিয়োজিত ব্যক্তি, (৮) যাকাতের জন্য নিয়োজিত কর্মচারীবৃন্দ।

গুরুত্তের দিক থেকে সালাত এর পরেই যাকাত এর স্থান। যাকাত সম্পর্কে পবিত্র কুরআন পাকে বলা হয়েছে যে -
“সালাত কায়েম কর ও যাকাত আদায় কর।” (সূরা আননূর, আয়াত নং – ৫)

এ সম্পর্কে নবী করিম হযরত মোহাম্মাদ (সা.) এরশাদ করেছেন যে -
“যাদের ওপর যাকাত দেওয়া ফরয, তারা যদি তা আদায় না করে, তবে আল্লাহ্‌ তাআলা পরকালে তাদের কঠিন শাস্তি দেবেন।”

ইসলাম এর আইন অনুযায়ী কোন মুসলমান যাকাত না দিলে সে মুসলমান থাকতে পারে না। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেছেন -
“মুশরিকদের জন্য ধংস অনিবার্য, কারণ তারা জাকাতব দেয় না।”
সুতরাং যাকাত না দেয়া মুশরিকদের কাজ।

যাকাত আল্লাহ্‌ তাআলা প্রদত্ত অর্থনীতির অন্যতম স্থম্ভ গুলোর মধ্যে একটি। এ সম্পর্কে মহানবী হযরত মোহাম্মাদ (সা.) এরশাদ করেছেন যে -
“যাকাত ইসলামের (ধনী ও গরীবদের মধ্যে) সেতুবন্ধন।”

যাকাত অস্বীকার করা আল্লাহ্‌ ও তার রাসুল কে অস্বীকার করার শামিল। ইসলামী আইন অনুযায়ী যাকাত যে ব্যক্তির ওপরে ফরয তাকে অবশ্যই যাকাত আদায় করতে হবে।

সকল মানুষ সমান সম্পদের অধিকারী নয়। আল্লাহ্‌ তাআলা আমাদের জীবন যাপনের জন্য অনেক সম্পদ দান করেছেন। কারও সম্পদ কম আবার কারও সম্পদ বেশী। ধনীদের সম্পদে আল্লাহ্‌ তাআলা গরীবের অংশ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। আর এর প্রতিফলনই হচ্ছে যাকাত। যাকাত দানের মুক্ষ উদ্দেশ্য হচ্ছে গরীবদের অবস্থা পরিবর্তন করা। গরিবরা যাতে তাদের অবস্থা পরিবর্তন করতে পারে এবং আর্থিক ভাবে সচ্ছলতা লাভ করতে পারে তার জন্যই যাকাত এর বাবস্থা আল্লাহ্‌ তাআলা করে দিয়েছেন। সমাজ কে অভাব থেকে মুক্ত করার জন্য যাকাত এর বিকল্প কিছু হতে পারে না।

যাকাত এর ধর্মীয়, সামাজিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশী। যাকাত প্রদানের মাধ্যমে একজন মুসলিম ব্যক্তির কৃপণতা ও সম্পদের লোভ দূর হয়। যাকাত প্রদানের মাধ্যমে একজন মুসলিম ব্যক্তির ভেতরে এমন যোগ্যতা সৃষ্টি হয় যে, যখনি আল্লাহ্‌র পথে সম্পদ
ব্যয় করার প্রয়োজন হয় তখনি তা সে অন্তর খুলে দান করে। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় ভাবে যাকাত উত্তোলন করে এর অর্থ দিয়ে দরিদ্রদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যেতে পারে যা যে কোন দেশের অর্থনীতিকে বদলে দেবে। আর এই যাকাত প্রদানের মাধ্যমে ধনী ও গরীবদের মাঝে দূরত্ব কমে যায় ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় হয়।

অবশেষে বলা যায় যে ইসলামী যাকাত ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি দেশকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাবে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে।

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

View the Original article